তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার ওপর জোর উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়ের তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার ওপর জোর উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়ের

CPM NETWORK

Cpm Network

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার ওপর জোর উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়ের

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
0 20260126163920 1024x576 1

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫–কে দ্রুত আইনি কাঠামোর আওতায় আনা জরুরি। এ জন্য এখনই জনমত তৈরি করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন, তাদের এ বিষয়ে সচেতন ও ইতিবাচক করতে হবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপের ইন্টারন্যাশনাল হলে অনুষ্ঠিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ : স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যুগান্তকারী অর্জন—পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটির আয়োজন করে উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা প্রতিষ্ঠান উবিনীগ।

ডা. বিধান রঞ্জন বলেন, অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে কার্যকর হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এরপরের বড় চ্যালেঞ্জ হবে আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, তামাক শিল্পের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন স্তরে পরোক্ষভাবে একাধিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী কাজ করে। তামাক চাষ থেকে শুরু করে বিপণন ও বিক্রির প্রতিটি ধাপে মানুষকে আসক্ত করার কৌশল প্রয়োগ করা হয়। এমনকি নীতিনির্ধারকদের প্রভাবিত করার চেষ্টাও চলে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি।

আসক্তির সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করে উপদেষ্টা বলেন, কোনো কিছু যে ক্ষতিকর—তা জানা সত্ত্বেও ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া, ব্যবহারে বাধা পেলে অস্বস্তি বা বিরক্তি অনুভব করা, বারবার ব্যবহারের তাগিদ এবং বন্ধ করলে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়া—এসবই আসক্তির লক্ষণ। এই অবস্থাকে উইথড্রয়াল ইফেক্ট বলা হয়, যার কারণে ব্যবহারকারী পুনরায় তামাক বা মাদকের দিকে ফিরে যায়।

তিনি উল্লেখ করেন, মাদকদ্রব্যের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো বারবার ছাড়ার চেষ্টা করেও পুনরায় শুরু করা। তামাকে আসক্তির সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকলেও আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিন্যাসের কারণে এখনো এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

সেমিনারে ড. এম. এ. সোবহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ রাশেদা কে. চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান।

[atn_photocard]
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD