বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
শিরোনাম :

CPM NETWORK

Cpm Network

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
9d058d7c187e659b5e0a94a94ecb4006 69b6af1fa1ea6

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কোথাও কোথাও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে, তবে তা সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়। তাই ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি–সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ ও দামের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাজারে যে পণ্য রয়েছে, তার বেশির ভাগই যুদ্ধ শুরুর আগেই দেশে এসেছে। সরকারের কাছেও পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা হলে ভোক্তাদের ওপর চাপ কমাতে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত পদক্ষেপ নিতে পারে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের কারণ খতিয়ে দেখতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য এবং প্রয়োজনে অন্যান্য পেশাজীবীদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিষয়টি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনও অনেক ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি বা পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা বাজার নিয়ন্ত্রণজনিত কারণে যাতে পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান চালিকাশক্তি ব্যবসায়ীরা। সরকারের দায়িত্ব হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এবং বাজার ব্যবস্থাপনা যেন স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে বাজার তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানির শিকার না করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

বিদেশি ফল আমদানির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আপেল, আঙুর ও কমলার মতো কিছু ফল সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। এসব ফলের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার প্রয়োজনে নীতিগত পদক্ষেপ বিবেচনা করবে। তবে অতিরিক্ত দামি বিলাসী ফলের ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সভায় চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ী নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

একই দিন বিকেলে বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আরেকটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

[atn_photocard]
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD