স্বস্তির আশায় গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো মানুষের জটলা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ স্বস্তির আশায় গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো মানুষের জটলা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ
শিরোনাম :

CPM NETWORK

Cpm Network

স্বস্তির আশায় গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো মানুষের জটলা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
hanif 1 20260317110957 1024x576 1

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রাজধানীর গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে এখন ঘরমুখো মানুষেরই আগনাগোনা বেশি। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে শহর ছাড়ছে হাজারো মানুষ। তবে এই যাত্রায় একদিকে যেমন আছে স্বস্তি, অন্যদিকে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ও যানজটের শঙ্কাও পিছু ছাড়ছে না।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরা ব্যাগ নিয়ে টার্মিনালে জড়ো হতে শুরু করেছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় ক্রমে বাড়তে থাকে।

গাবতলী টার্মিনালে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। কল্যাণপুরের বাস কাউন্টারগুলোতেও ঘরমুখো মানুষের দেখা গেছে। অনেক যাত্রী আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করলেও আজ তাৎক্ষণিকভাবে টিকিট পাওয়ার আশায় কাউন্টারে ভিড় করছেন। সরকারি ছুটির সঙ্গে ব্যক্তিগত ছুটি যোগ করে অনেকেই আগেভাগে ঢাকা ছাড়ছেন। সকালে নির্দিষ্ট সময়ের বাস ছাড়লেও রাতের বাস দেরিতে আসায় অনেককে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় বলে জানায় বাস কাউন্টারের কর্মচারীরা। সেই সঙ্গে যাত্রীদের বড় অভিযোগ—সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

রংপুরগামী যাত্রী শাহ আলম বলেন, সকাল ৮টার বাস ছিল, কিন্তু একটু লেট হচ্ছে বাস ছাড়তে। আমার টিকিট আগে কাটা হয়েছিল বিধায় অতিরিক্ত ভাড়া নিতে পারেনি। তবে আমার কাজিন আমার সঙ্গে একই গাড়িতে বাড়ি যেতে বেশি টাকায় টিকিট কেটেছে। তাৎক্ষণিক এসে টিকিট নিলে কাউন্টারের লোকজন বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে। প্রতি বছরই আমাদের এই ভোগান্তি সইতে হয়।

অন্যদিকে, কল্যাণপুরে পরিবার নিয়ে বাসের অপেক্ষায় থাকা আনোয়ার হোসেন বলেন, টিকিট পেতে অনেক কষ্ট হয়েছে। বাস আসতে দেরি করায় এখন টার্মিনালে মানুষের ভিড় জমে গেছে। প্রতিবারই বাড়িতে যেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। তবুও বাড়ি ফেরার আনন্দটাই আলাদা। দীর্ঘদিন পর মা-বাবাী সঙ্গে দেখা হবে।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, আমরা নির্ধারিত ভাড়াই নিচ্ছি। তবে ফিরতি পথে বাস খালি আসতে হয় বলে মালিকপক্ষ কিছুটা সমন্বয় করছে। বাস দেরিতে আসার কারণ হিসেবে তারা সাভার ও আমিনবাজারের প্রবেশপথে যানবাহনের ধীরগতিকে দায়ী করছেন।

টার্মিনালগুলোতে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি চোখে পড়েছে। যেকোনো ধরনের ছিনতাই বা হয়রানি রোধে পুলিশ ও র‍্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ-র পক্ষ থেকে ভিজিল্যান্স টিমও কাজ করছে।

সব মিলিয়ে ঝক্কি-ঝামেলা থাকলেও নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের মুখে আনন্দের ছাপই ছিল স্পষ্ট। সবারই লক্ষ্য—সঠিক সময়ে পরিবারের কাছে পৌঁছানো।

[atn_photocard]
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD