বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে ফিফা ও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মামলা বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে ফিফা ও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মামলা

রসাম হাউজ

আচার

বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে ফিফা ও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মামলা

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
11 1 1024x576 1

১১ জুন পর্দা উঠবে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের। বিশ্ব যখন ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম আকর্ষণীয় ইভেন্টে বুঁদ হতে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় ফিফা ও বর্তমান সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করেছেন মিশেল প্লাতিনি। দুর্নীতির দায় থেকে মুক্ত ফ্রান্সের এই কিংবদন্তি ফুটবলার এক সময় ফিফার সভাপতি হওয়ার জোর সম্ভাবনা ছিল।

উয়েফার সাবেক সভাপতি প্লাতিনি প্যারিসে দায়ের করা দেওয়ানি মামলায় পূর্ণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ফিফার অভ্যন্তরীণ কিছু পদক্ষেপ ও কৌশলের মাধ্যমে তাকে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। আর ফৌজদারি অভিযোগে ইনফান্তিনো, ফিফার সাবেক আইন পরিচালক মার্কো ভিলিগার এবং সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ডোমেনিকো স্কালার বিরুদ্ধে ‘অসৎ উদ্দেশে মামলা পরিচালনা’ এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্লাতিনি ও ফিফার তৎকালীন সভাপতি সেফ ব্লাটারের বিরুদ্ধে ওই আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত ২০১৫ সালের শেষ দিকে। সে সময় ফিফার পক্ষ থেকে ২০১১ সালে প্লাতিনিকে দেওয়া ব্লাটারের ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ২৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার) অর্থপ্রদানের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে ফিফার নৈতিকতা বিষয়ক নিষেধাজ্ঞার কারণে ফুটবল প্রশাসন থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন সাবেক ফ্রান্স অধিনায়ক প্লাতিনি। এর ফলে উয়েফার তৎকালীন মহাসচিব ইনফান্তিনোর সামনে ২০১৬ সালের শুরুতে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পথ খুলে যায়।

ফ্রান্সে প্লাতিনির এই আইনি পদক্ষেপ এসেছে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ সুইস ফেডারেল ফৌজদারি আপিল আদালতে তিনি এবং ব্লাটার চূড়ান্ত খালাস পাওয়ার পর। আদালতের ওই রায়ে তাদের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চূড়ান্ত রূপ পায় সেই খালাস। ৭০ বছর বয়সী প্লাতিনি খালাস পাওয়ার পর বলেছিলেন, তার বিশ্বাস তাকে ফিফা সভাপতি হওয়া থেকে ঠেকাতেই ওই মামলা করা হয়েছিল।

তবে এখন বয়স বেশি হয়ে যাওয়ায় আর ফুটবলে ফিরতে চান না বলেও জানিয়েছেন প্লাতিনি। তার অভিযোগে ফরাসি তদন্তকারীদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন ফিফা কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড এবং মূল ফৌজদারি তদন্তের সময় সুইস প্রসিকিউটররা ফিফার সঙ্গে অনুপযুক্তভাবে সমন্বয় করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখেন। এর আগে ২০১৫ সালে ফিফা ওই ঘটনায় নিজেদের ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নতুন করে হওয়া মামলা নিয়েও এখনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD