অনলাইনে নকশা অনুমোদনের নির্দেশ অনলাইনে নকশা অনুমোদনের নির্দেশ
শিরোনাম :
সোনার দাম ভরিতে আরও কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা আধা ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই ডুবল চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে বন্দুক হামলা, নিহত ৩৫ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির সাবেক প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদ আর নেই দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান

রসাম হাউজ

আচার

অনলাইনে নকশা অনুমোদনের নির্দেশ

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
31 1024x576 1

দেশের সব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদন কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আদলে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য রাজউকের তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত ১ জুন সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা–সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সভায় জানানো হয়, রাজউকে বর্তমানে ভবন নির্মাণ অনুমোদন প্রক্রিয়া ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে পরিচালিত হচ্ছে এবং এ সেবার সময়সীমা ২৪ কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে, ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিট সিস্টেম (ইসিপিএস)–এর মাধ্যমে রাজউকের প্রকল্পভুক্ত এলাকার ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র শতভাগ অনলাইনে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, এস্টেট ও ভূমি শাখার ব্যবহারকারীদের আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র গ্রহণে নাগরিকদের সরাসরি অফিসে উপস্থিতির প্রয়োজন কমবে এবং সেবাপ্রাপ্তির সময়ও কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সভায় আরও জানানো হয়, রাজউকের সেবা সহজীকরণ ও প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর লক্ষ্যে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ২৯ এপ্রিল ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রথম সভা গত ১১ মে অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং সেখানে বিভিন্ন সেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করার বিষয়ে সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করে, নাগরিক সেবা সহজ করার জন্য দেশের সব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ জন্য রাজউকের বিদ্যমান সফটওয়্যার ব্যবহার করে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, অনলাইনে নকশা অনুমোদন ব্যবস্থা চালু হলে আবেদন, যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে সেবা পেতে নাগরিকদের সময় ও ব্যয় কমবে এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতাও কমে যাবে। সরকারের ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজু বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজের অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিবেচনায় যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দায়ী থাকবেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে সরকারের ১২টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে ছয়টি নতুন।

দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো হলো- সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ভবন নির্মাণের আগে জমির ব্যবহার ছাড়পত্র ও নির্মাণ অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। আগে রাজউকে এ কাজ সনাতন পদ্ধতিতে (ম্যানুয়ালি) পরিচালিত হতো। ২০১৬ সালে রাজউক সীমিত আকারে অনলাইনে জমির ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদান শুরু করে। ২০১৮ সালের মধ্যে এটি সব অঞ্চলে (জোন) বিস্তৃত হয়। ২০১৯ সালের মে মাসে রাজউক জমির ছাড়পত্র ও নির্মাণ অনুমোদন— উভয় সেবা অনলাইনে দেওয়া শুরু করে।

এই সেবাগুলো পেতে নাগরিকদের রাজউকের একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে আবেদন করতে হয়। প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করার পর যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এরপর ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড করে কাজ শুরু করতে পারেন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD