পাঠ্যপুস্তকে অনেকাংশে পরিমার্জন আনা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী পাঠ্যপুস্তকে অনেকাংশে পরিমার্জন আনা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

CPM NETWORK

Cpm Network

পাঠ্যপুস্তকে অনেকাংশে পরিমার্জন আনা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
education minister ehsanul haque milon 20260711190103

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, এবারের পাঠ্যপুস্তকে অনেকাংশে পরিমার্জন আনা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে পুরো কারিকুলাম পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এটি বললেই পরিবর্তন হয়ে যায় না। এর জন্য সময় লাগে। সরকার সেইভাবেই এগোচ্ছে, যাতে যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করা যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সাভারের নলাম এলাকায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেবাস ও কারিকুলাম সংশ্লিষ্ট কমিটি সমন্বিতভাবে প্রণয়ন করছে। সরকারের লক্ষ্য হলো- দুই বছরের কোর্স দুই বছরেই শেষ করা। ১২ বছরের শিক্ষাজীবন, অর্থাৎ ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। কোনো সেশনজট থাকতে পারবে না এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় অযথা নষ্ট করা যাবে না। অর্থাৎ জাতি যেন ডেমোগ্রাফিক ডিভাইনড থেকে পিছিয়ে না থাকে, সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্পোর্টস কালচার, ফ্যামিলি ভ্যালুস, ডিবেট, লার্নিং উইথ হ্যাপিনেসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটিই সরকারের মূল উপাদান, যা প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। তিনি এমন একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চান, যারা শিক্ষাকে আনন্দময় হিসেবে গ্রহণ করবে।

ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, নতুন কারিকুলামে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস, স্পোর্টস ও কালচার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও আদর্শ ধাপে ধাপে সব শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এসময় শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের মানোন্নয়নকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়ানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় নতুন মডেলে এগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে।

সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৈষম্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী রোববার বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে, যা বিগত সরকার চালু রাখেনি। এবার বেসরকারি স্কুলগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাময়িকভাবে বেসরকারি স্কুলকে ২০ শতাংশ এবং সরকারি স্কুলকে ৮০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা সবার অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে এবং সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সবার জন্য সাম্যের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, এগুলো সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD