ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩০৬ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় ব্যবস্থা নেবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪০১, মামলা ৫০ ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস সরবরাহ সংকটে সবজির বাজারে আগুন সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কার নয়: মির্জা ফখরুল বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বদিউর, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান সেলিম রহমান ব্রয়লার ১৮৫ টাকা কেজি হলেও ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা মসজিদে নামাজে নিষেধাজ্ঞা,পশ্চিমবঙ্গে প্রতিবাদে নামছেন প্রায় ১ কোটি মুসলিম

CPM NETWORK

Cpm Network

ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
dudok 2 20260716194056

জালিয়াতির মাধ্যমে কাগুজে রপ্তানি দেখিয়ে ইয়েলো অ্যাপারেলস নামে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের ৪১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্তে জনতা ব্যাংকের ১০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত সংস্থাটির উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্ব টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গেছে।

যে সব কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন, আবুল কালাম আজাদ, আশরাফুল আলম, মোসাম্মৎ আছিয়া বেগম, আব্দুল মতিন মিজানুর রহমান, এস এম আব্দুল ওয়াহাব, ফয়জুল আলম, গোলাম মর্তুজা, কামরুল আহসান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তার ভাই এস এফ রহমান, তাদের দুই ছেলে জনতা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর পরস্পর যোগসাজশে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস, ঢাকার কথিত গ্রাহক ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেড নামীয় একটি নবসৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইডিএফ (ইডিএফ) সুবিধাসহ বিপুল অঙ্কের ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করেন। অথচ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকরা ব্যবসা পরিচালনায় কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ছিলেন না। তারা বিবি এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যেই কাগুজে আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে Accommodation Bill তৈরি করেন। এর মাধ্যমে মোট ৪,৮৯,৭৮,৬৭৮.৯৭ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪১৬ কোটি ৩১ লাখ ৮৭ হাজার ৭১২ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিগত ১৫ বছরে আর্থিক খাতে নজিরবিহীন দুর্নীতি, লুটপাট, জালিয়াতি ও টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে। ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে তার প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD