বিশ্ববাজারে ১০৫ ডলারের ওপরে তেলের দাম বিশ্ববাজারে ১০৫ ডলারের ওপরে তেলের দাম

CPM NETWORK

Cpm Network

বিশ্ববাজারে ১০৫ ডলারের ওপরে তেলের দাম

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
untitled 1790565835

সামরিক সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে ইরানের একটি প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের দেয়া শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৭টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছায়।

এর আগে গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান সামরিক সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার এই শান্তি উদ্যোগের কথা জানায়। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছিল বলেও নিশ্চিত করে তেহরান।

এরপর শনিবার ট্রাম্প জানান, তিনি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে রোববার ফোনে অ্যাক্সিওসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে মার্কিন আলোচকরা ইরানের সঙ্গে আরও আলোচনা করবেন বলে তিনি আশা করছেন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, গত সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমেছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে পারে মার্কিন প্রশাসন—এমন আশঙ্কা থেকেই ডব্লিউটিআইয়ের দামে বড় পতন হয়েছিল। এমন পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল শোধনাগারগুলোর উৎপাদন কমে যেতে পারে।

এদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তেল সরবরাহ বাড়ানোয় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকে সেপ্টেম্বরে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। সোমবার কেপলারের প্রাথমিক জাহাজ চলাচলসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই সর্বোচ্চ রপ্তানি।

মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল আবারও বাড়ায় এই রপ্তানি বৃদ্ধি হয়েছে। চলতি মাসে এই প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭৪ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশটি লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর থেকে তেল রপ্তানি কমিয়ে পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরা টার্মিনাল দিয়ে রপ্তানি বাড়িয়েছে। এর পরই তেল সরবরাহে এই পরিবর্তন দেখা যায়।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD