মানবপাচার চক্র নির্মূলে টেকনাফে আবারও যৌথ বাহিনীর অভিযান মানবপাচার চক্র নির্মূলে টেকনাফে আবারও যৌথ বাহিনীর অভিযান

CPM NETWORK

Cpm Network

মানবপাচার চক্র নির্মূলে টেকনাফে আবারও যৌথ বাহিনীর অভিযান

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
taknaf 8765 20261107102920

কক্সবাজারের টেকনাফে গহিন পাহাড়ে মানবপাচার চক্রের আস্তানায় আবারও যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা-রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। এতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নিয়েছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে দুর্গম ওই পাহাড়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে বন্দিশালা থেকে ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মানবপাচারকারী চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করা হয়।

অভিযান চলাকালে পাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের গোলাগুলি হয়। এ সময় পাচারকারীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মোহাম্মদ তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিজ গ্রামে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে, শুক্রবার টেকনাফ মডেল থানার প্রাঙ্গণে উদ্ধার হওয়া ৫৭ ভুক্তভোগীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের মধ্যে ৬জন রোহিঙ্গা ও ৫১ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

একই দিন ওই পাহাড়ে ৩টি মরদেহ পড়ে থাকার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। উদ্ধার হওয়া শহিদুল ইসলাম জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তবে নিহত ব্যক্তিরা ডাকাত দলের সদস্য, নাকি বন্দিশালা থেকে পালিয়ে যাওয়া ভুক্তভোগী, তা নিশ্চিত নন তিনি। বন্দিশালার কাছে ৩টি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছেন বলে জানান শহিদুল।

এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের বক্তব্যে মানবপাচারকারী চক্রের প্রতারণা ও বন্দিদশার চিত্র উঠে এসেছে।

ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কক্সবাজারে ডেকে নেওয়া হয়। পরে পাহাড়ের একটি আস্তানায় আটকে রাখা হয় তাকে। সেখানে ৮ দিন বন্দি ছিলেন তিনি। ২ বার পালানোর চেষ্টা করেও সফল হননি।

আসাদুজ্জামান আরও বলেন, বন্দিশালায় ৫০ জনের বেশি মানুষ ছিলেন, তাদের সাগরপথে পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। পাহাড়ে সশস্ত্র লোকজন আস্তানাটি পাহারা দিতেন। বন্দিদের মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, রঙ্গীখালীর পাহাড়ে ৩টি মরদেহ পড়ে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে তবে যতক্ষণ না সেগুলো উদ্ধার হচ্ছে তা নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না, সেখানে আসলে মরদেহগুলো আছে কিনা? তা সন্ধানে আমরা কাজ করছি।

মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা নির্মূল না করা পর্যন্ত যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।

[atn_photocard]
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১২৩৪৫৬৭
৮৯১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD