বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ার ঘটনায় মেট্রোরেল যাত্রীদের জন্য হুমকি হয়ে পরেছে। এ ঘটনার কারণে ব্যয়বহুল প্রকল্পে নিরাপত্তা প্রশ্নও উঠেছে।
ঢাকার জনপ্রিয় গণপরিবহন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০১২ সালে। শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, প্রতি কিলোমিটার মেট্রোরেলের পথ নির্মাণে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা খরচ। যা আশপাশের দেশের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। রোববার (২৬ অক্টোবর) মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী নিহত হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা চলছে চলমান এই প্রকল্প নিয়ে।
বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করছে। মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেটে মেট্রোরেলের পিলার থেকে একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী নিহত হওয়ার পরপরই বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল চলাচল।
ঠিক এক বছর আগে এই এলাকায় মেট্রোরেলের আরেকটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়েছিল। তখন কেউ হতাহত না হলেও বিয়ারিং প্যাড পুনরায় লাগাতে প্রায় ১১ ঘণ্টা সময় লাগে। এ সময় পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। এবার দুর্ঘটনার আড়াই ঘণ্টা পর উত্তরা থেকে আগারগাঁও ও ৭ ঘণ্টা পর মতিঝিল থেকে শাহবাগ পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়। কিন্তু মতিঝিল থেকে উত্তরা পর্যন্ত পুরো পথে কখন নাগাদ মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে তা সুনির্দিষ্ট করে জানায়নি মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।