সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন : ঢাবি উপাচার্য সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন : ঢাবি উপাচার্য
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, উড়ছে না ফ্লাইট ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩১৫ পে-স্কেল নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৮ নির্দেশনা জাপান সফর শেষে রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী কাজে অগ্রগতি না হলে প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের সমান অগ্রাধিকার পাচ্ছে উপনির্বাচন: সিইসি হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড

CPM NETWORK

Cpm Network

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন : ঢাবি উপাচার্য

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
du 20260221115818

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে সরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও তা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আমরা সব শহীদদের বিনম্রচিত্তে স্মরণ করছি। নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষাসহ সব মাতৃভাষার প্রতি আমরা সম্মান জ্ঞাপন করছি। মাতৃভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণে আমাদের যে উদ্যোগ, তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাক।

তিনি বলেন, বাংলা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু আমাদের স্বীকার করতে হবে, প্রশাসন, শিক্ষা, বিচারব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন প্রাতিষ্ঠানিক চর্চায় এখনো সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারিনি। চর্চা কেবল আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়, এটি মানসিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গীকারের প্রশ্ন।

উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা একটি চর্চার বিষয়। এটি বাস্তবায়ন করতে সরকারি পর্যায় থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে তা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ শুধু একটি ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল না, এটি ছিল আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক মর্যাদা রক্ষার লড়াই।

রাষ্ট্রীয় এই আয়োজনের ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, জাতির পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পালন করে থাকে এবং এ বছর অনুষ্ঠানটি তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা কেবল স্মরণে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বাংলা ভাষাসহ সব মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় নিয়মিত চর্চা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতিই হতে পারে শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

[atn_photocard]
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

CPM NETWORK

আর্কাইভ

SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD