কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে
শিরোনাম :
বিএনপি সরকার সবসময় আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে ঢাকা থেকে টেকনাফের ভাড়া বাড়ল ৬৫ টাকা, পঞ্চগড়ের ৬০ টাকা হরমুজ প্রণালিতে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য ফি মওকুফ করলো ইরান মুরগির দাম কমলেও বেড়েছে মাছের দাম শুক্রবার সকাল থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা এসএসসি পরীক্ষার ২য় দিনে অনুপস্থিত ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ঢাকায়ও লোডশেডিং করা হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রসাম হাউজ

আচার

কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
rangamati 20260424152827

‎বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যে রাঙামাটির কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৩৮ মেগাওয়াটে। কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ায় কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে চারটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে মাত্র একটি ইউনিট চালু রেখে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

‎সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক ২৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে পানির সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কাপ্তাই হ্রদের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট (এমএসএল) হলেও রুল কার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর থাকার কথা ৮৩ ফুট (এমএসএল)। কিন্তু পানি আছে প্রায় ৭৭.২০ ফুট (এমএসএল) যা নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫.৪ ফুট কম।

‎পানির এই ঘাটতির কারণে এক, তিন, চার ও পাঁচ নম্বর ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে শুধু দুই নম্বর ইউনিট চালু রয়েছে, যার মাধ্যমে সীমিত আকারে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।

‎কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন গড়ে ০.১৮ থেকে ০.২০ ফুট হারে হ্রদের পানির স্তর কমছে। অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে এবং আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হলে উৎপাদন আরও কমে যেতে পারে। পানির স্তর ৭০ ফুটের নিচে নেমে গেলে কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

‎কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, পানির অভাবে কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট হতে উত্তরণ সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত,এর আগে ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎ উৎপাদন সর্বনিম্ন ২৫ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল।‎

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD