সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি

রসাম হাউজ

আচার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
20 1

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার (০২ নভেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাদের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন সংশোধনীতে ‘বিধি ৭ এর উপ-বিধি (২) এর দফা (খ)’-এ উল্লিখিত ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন’ শব্দ প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে, যা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত মূল বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩ শতাংশ পদ মেধাভিত্তিক প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হবে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের জন্য এবং ৮০ শতাংশ পদ অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত ছিল।

নতুন সংশোধনীতে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন’ শব্দ যুক্ত করায় বিজ্ঞান ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে স্নাতকদের অন্তর্ভুক্তি আরও সুস্পষ্ট করা হয়েছে।

বিধিমালার তফশিল-১ ও সংশোধন করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি ও প্রার্থীর যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত বিধি অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া উপজেলা বা থানাভিত্তিক ভাবে সম্পন্ন হবে। এছাড়া, মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য মোট ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিয়োগের পর শিক্ষককে নির্ধারিত শিক্ষানবিশ মেয়াদ শেষে কর্মদক্ষতা ও আচরণে সন্তোষজনক বিবেচিত হলে চাকরি স্থায়ী করা হবে। তবে কেউ সন্তোষজনক পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হলে, তার চাকরি বাতিল বা পূর্বের পদে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা থাকবে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের।

বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের পর চার বছরের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। যেসব শিক্ষক ৫০ বছর বয়সে পদোন্নতি বা স্থায়ী হওয়ার যোগ্য হবেন, তাদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার ও প্রশিক্ষণের শর্ত কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করা যেতে পারে।

এছাড়া, বিধি কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ১২তম গ্রেডে কর্মরত প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত হওয়ার পর ১৮ মাসের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে প্রশিক্ষণ শেষ না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিত করা হবে বলেও নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD