হাজিদের ১৫০ লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ অসত্য : বিমান প্রতিমন্ত্রী হাজিদের ১৫০ লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ অসত্য : বিমান প্রতিমন্ত্রী

রসাম হাউজ

আচার

হাজিদের ১৫০ লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ অসত্য : বিমান প্রতিমন্ত্রী

সমকালের পাতা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
biman minister 20260604115341 1024x576 1

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাজিদের ১৫০টি লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগকে অসত্য বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেছেন, অভিযোগ ওঠার পর তাৎক্ষণিক তদন্তে বিমানবন্দরের সিসিটিভি ও বডি অন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গতকাল বিমানের লাগেজ সংক্রান্ত একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। যেটা আমাদেরকে একটু উদ্বিগ্ন করেছে।

তিনি বলেন, গত পরশুদিন রাতের বেলা হাজীরা ফিরেছে। যাদের লাগেজগুলি কাটা হয়েছে এবং ১৫০টি লাগেজ থেকে মালামাল চুরি হয়েছে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীকে ট্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং আমরা আমাদের তরফ থেকে সঙ্গে সঙ্গে এটা তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রায়শই এরকম সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদেরকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করা হয়, যেটা আপনাদের সহযোগিতায় আমরা তার সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটি পরিবেশন আপনাদের মাধ্যমেই করতে পারি। এবং তাতে করে বিভ্রান্তি নিরসন হয়। সেই প্রেক্ষিতে আমরা একটা বিবৃতি আপনাদেরকে দিতে চাই, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করার নির্দেশ দেই। বিমানবন্দরে সিসিটিভি ও বডি অন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তদন্ত প্রতিবেদন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমার কাছে কর্তৃপক্ষ পাঠায়।

তিনি জানান, এ ফ্লাইটে আসা ৮৩৬ পিস লাগেজের মধ্যে ২১টি ব্যাগে ছেঁড়া এবং কাটা অবস্থায় পেয়েছেন বলে কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের নিকট মৌখিকভাবে জানা যায়।

লাগেজ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রচলিত নিয়মের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কোনো হাজী বা যাত্রী মূল চেকিং লাগেজের ভেতরে কোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি বা যথাযথ সিলগালা না করে লিকুইড প্রসাধন সামগ্রী বহন করতে পারবেন না। এটা একটা নিয়ম। লাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় ধরা পড়লে নিয়ম অনুযায়ী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ লাগেজ কেটে বা খুলে তা বাজেয়াপ্ত করে থাকে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ডিক্লারেশন ব্যতীত নগদ টাকা বা মানিব্যাগ বুকিং লাগেজে দেওয়া নিষিদ্ধ। ঢাকা বিমানবন্দরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ সময় গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনাটিকে অসত্য বলেও দাবি করেন তিনি।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
SEO Solution Lab
©somakalerpata
Developer Design Host BD