সান সিরোতে ইন্টার মিলান ও নাপোলি ম্যাচে রোমাঞ্চের ছড়াছড়ি। অথচ প্রথমার্ধ ছিল নিষ্প্রাণ। দ্বিতীয়ার্ধে ৪০ মিনিটের ব্যবধানে হলো পাঁচ গোল! এই থ্রিলার ম্যাচে মিলান দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ৩-২ ব্যবধানে
চীনের মকিতে চলছে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকি। যেখানে গতকাল (শুক্রবার) বাংলাদেশ পুরুষ দল চীনের বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও হেরেছে। আজ নারী দল চাইনিজ তাইপেকে হারিয়েছে ৭-০ গোলে। পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল বাংলাদেশি
জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের পর আর্জেন্টিনায় আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অধিনায়ক তার বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন। তারপরই তার সতীর্থ থেকে শুরু করে মা সেলিয়া হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার
ম্যাকাইয়ে একে একে সবাই ফিরলেন। লাঞ্চে যাওয়ার সময় শেষ স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে ছিলেন শুধু মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি কিছু একটা করবেন এমনই আশা ছিল হয়তো অনেকের। তবে দ্বিতীয় সেশন শুরু
টেস্ট ক্রিকেটে টানা চারদিন বাংলাদেশের জন্য দুর্দান্ত কাটল। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতেই এভাবে দাপট দেখানো যে কোনো দলের জন্যই স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিলো বাংলাদেশ। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা
কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে শুরু। বিশ্বকাপে এই স্পেনকে দেখে বিস্ময় জেগেছিল। কিন্তু বদলে গেল তারা। একের পর জয়, আর গোলপোস্ট অক্ষত রেখে ফাইনালে উঠল লা রোজারা। শুরুটা হতাশার হলেও
চলতি বিশ্বকাপে শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে সুইসদের ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। রোববার (১২ জুলাই) কানসাস সিটিতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে
তৃতীয় ওয়ানডেতেও বোলিংয়ে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ২৭ রানে তিন উইকেট তুলে স্বাগতিকদের কড়া বার্তা দিয়েছে তাসকিন-শরিফুলরা। এরপর ছোট ছোট জুটিতে এগিয়েছে জিম্বাবুয়ে। মাধভেরে ও ইভান্সের ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত
একেবারে খাদের কিনারায় ছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা প্রায় শেষ হতে বসেছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়েছে। মেসির পেনাল্টি মিসের পর মিশর ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচের দ্বিতীয় অর্ধের ৩৪
প্রথমার্ধ ছিল রোমাঞ্চকর, যেখানে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই জমিয়ে তোলে স্পেন-পর্তুগাল উভয়েই। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে স্প্যানিশদের একের পর এক আক্রমণ সামলাতেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল দিশেহারা ছিল। শেষ পর্যন্ত মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে