গণভোটের বিদ্যমান কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশে নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় এর ফলাফল নিয়ে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন সিপিডির পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ‘নির্বাচনী এলাকায় সবুজ সমাজের পরিস্থিতি ও প্রত্যাশা: প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক ওই ব্রিফিংয়ে গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ সময় প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহার ঘোষণায় ব্যস্ত থাকলেও জাতীয় নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, গণভোটের বর্তমান কাঠামো ও অধ্যাদেশে যে দুর্বলতা রয়েছে, তাতে এর ফলাফল নিয়েও বিতর্ক তৈরি হতে পারে। এ বাস্তবতায় এবারের নির্বাচনে গণভোটের চেয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে সিপিডি মনে করে।
নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সিপিডিসহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাধারণত দলগুলোর ইশতেহার বিশ্লেষণ করে থাকে। এতে ইশতেহারের মান, পার্থক্য, অগ্রাধিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অনুপস্থিতি তুলে ধরা হয়।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সিপিডির এ গবেষণায় দেশের পরিবেশ ও দুর্যোগঝুঁকিপূর্ণ ১৫০টি নির্বাচনী এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জরিপে অংশ নেন ৪৫০ জন সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী এবং ১ হাজার ২০০ জন ভোটার। জরিপের ফলাফলের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকায় ‘সবুজ সমাজ’ গঠনের বর্তমান অবস্থা এবং এ বিষয়ে ভোটারদের প্রত্যাশার চিত্র তুলে ধরা হয়।